টিভি ব্রেকিংঃ
ঝিনুক টিভির পক্ষথেকে সকল দর্শকদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঝিনুক টিভি আসছে নতুন নতুন সব আয়োজন নিয়ে। পাশেই থাকুন
এতিমখানায় বড় হওয়া রাজউক কর্মচারীর কোটি টাকার সম্পদ, চলেন দেহরক্ষী নিয়ে

এতিমখানায় বড় হওয়া রাজউক কর্মচারীর কোটি টাকার সম্পদ, চলেন দেহরক্ষী নিয়ে

এতিমখানায় বড় হলেও এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক, চলেন দেহরক্ষী নিয়ে। পরিবার নিয়ে সিংগাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ৭ বছরে ভ্রমণ করেছেন ১৬ বার। গল্পটি রাজউকের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী শফিউল্লাহ বাবুর। সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

রাজউকের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী শফিউল্লাহ বাবু। ২০০১ সালে মাত্র ১৮৭৫ টাকা বেতনে অস্থায়ী কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন রাজউকে। চাকরির ৩ বছরের মাথায় নানা অনিয়মের দায়ে চাকরি হারান। পরে মামলা করে ৫ বছরের মাথায় ফেরেন কর্মস্থলে। এমনকি গত বছর পদোন্নতি পেয়ে রেখাকার হিসেবে চাকরিতে স্থায়ী হন বাবু।

নিয়মিত অফিস না করার অভিযোগও আছে বাবুর বিরুদ্ধে। এর সত্যতা খুঁজতে গত সপ্তাহের এক কর্মদিবসে সকাল থেকেই রাজউক কার্যালয় খোঁজ রাখে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের টিম। দুপুর গড়ালেও তার খোঁজ মেলেনি। পরে জানা যায় মহাখালির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আছেন তিনি। অথচ বাবুকে মোবাইলে ফোন করা হলে জানান, তিনি রাজউকের মতিঝিল কার্যালয়েই আছেন।

ঠিক এই সময়েই তার ব্যবহৃত টয়োটা প্রিমিও গাড়িটি পাওয়া যায় মহাখালিতে। সেখানে দেহরক্ষি হানিফ জানান, বাবুর ব্যবহারের গাড়ি কেনা হয়েছে তার শ্বশুরের নামে।

মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় এই দশ তলা বাড়ির মালিক বাবু ও তার স্ত্রী। তবে তিনি এখনও টিন শেড বাড়ি হিসেবেই ট্যাক্স দেন সিটি কর্পোরশনে। এর ঠিক পাশের বাড়িতেও স্ত্রীর নামে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট।

২০১১ সালে মেয়ে অপসরার নামে খোলেন ‘অপসরা হোমস লিমিটেড’ কোম্পানি। যার ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাবুর স্ত্রী কুলসুমি আক্তার লিজা। এই কোম্পানির সব শেয়ার বাবুর স্ত্রী, শ্বশুর আর ভাইয়ের নামে।

মিরপুরের পীরের বাগ এলাকায় এই ৮ তলা বাড়িটি করছে অপসরা হোমস। যার সাইন বোর্ডে আছে- বাবুর স্ত্রীর নাম। যদিও তার স্ত্রী একজন সাধারণ গৃহিনী।

এছাড়া মধ্য পীরেরবাগে এই বাড়িটিও করা হয়েছে অপসরা হোমসের মাধ্যমে। খোঁজ নিতে গেলে আসে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে দেখে নেয়ার হুমকি। আর শ্যাওড়াপাড়ায় এই বাড়িটিও করা হয়েছে একই কোম্পানির মাধ্যমে।

বাবুর পাসপোর্টে নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে দেখিয়েছেন। সাত বছরে ১৬ বার বিদেশ ভ্রমনে গেলেও রাজউকের অনুমতি নিয়েছেন মাত্র একবার।

গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে একটি গরুর খামার আছে তার। যা তদারকি করেন বাবুর বড় ভাই।

এতিমখানায় বড় হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বাবু। তবে শিক্ষকরা বলছেন, সেখানে থেকে তিনি দিয়েছেন এসএসসি পরীক্ষা।

বাবুর ব্যাপারে গৃহায়নমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগও গেছে। তবে, রাজউক চেয়ারম্যানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বার যোগাযোগ করা হলেও, বাবু প্রসঙ্গে কথা বলেত রাজি হননি কেউ। ফোনে কথা বললেও ক্যামেরার সামনে আসেননি বাবু নিজেও।

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2020 | jhenuktv.com
Developed BY POS Digital