টিভি ব্রেকিংঃ
ঝিনুক টিভির পক্ষথেকে সকল দর্শকদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঝিনুক টিভি আসছে নতুন নতুন সব আয়োজন নিয়ে। পাশেই থাকুন
রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ডাক্তারের অবহেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাঙচুর

রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় ডাক্তারের অবহেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ভাঙচুর

শুক্রবার বিকাল ৩টায় জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। সংর্ঘষে ডা. চিরঞ্জিৎ, ডা. হাবিবুল্লাহ, কর্মচারী কিরন, রোগীর স্বজন শহিদুল্লাহ (৪০), জিহাদ (২০) ও সাইদুরসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

ডাক্তার আহতের খবরে ইন্টার্ন ডাক্তারদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রোগীর স্বজনদের সাথে ইর্ন্টন ডাক্তাররা সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। দু’পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে হাসপাতাল ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমানসহ ৭ ইর্ন্টানি ডাক্তারকে আটক করে নিয়ে যায় সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় রোগীর স্বজন ও হাসপাতালের ডাক্তার কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ঘটনাস্থল থেকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমানসহ ৭ ইন্টার্ন ডাক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। আটকের ঘণ্টাখানেক পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে আহত কর্তব্যরত ডাক্তার চিরঞ্জিত বলেন, রোগীর মৃত্যুতে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ সঠিক নয়। আমি যথাসময়ে রোগীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করি। কিছু বুঝে না ওঠার আগেই রোগীর স্বজনরা আমার ওপর হামলা চালিয়ে ইমারজেন্সির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফেরদৌস হাসান বলেন, ডাক্তারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা সঠিক নয়। দু’পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিতে অনাকাংঙ্খিত এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

জামালপুর সদর থানার ওসি রেজাউল করিম খান বলেন, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিলো। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ ঘটনাস্থল একজন ডাক্তারসহ ৭ ইন্টার্ন ডাক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু কারো কোনো অভিযোগ না থাকায় আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সমঝোতা করা হয়েছে

শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved © 2020 | jhenuktv.com
Developed BY POS Digital